খেলার সময় খাটের নিচে থাকা সাপের বাচ্চাকে কামড় দেয় জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক শিশু। এতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে সাপটি মারা যায়। আতঙ্কে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা সাপের বাচ্চাসহ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে শিশু জান্নাতুল ফেরদৌসকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের উজলপুর গ্রামের বিলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: আফরিনা ইসলাম বলেন, মৃত সাপের একটি বাচ্চাসহ শিশু জান্নাতুলকে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশু ওয়ার্ডে পাঠিয়েছি। তবে সাপটি কোন প্রজাতির ছিল সেটা চিহ্নিত করা যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট শিশুবিশেষজ্ঞ ডা: মাহবুবুর রহমান মিলন বলেন, শিশুটিকে প্রায় তিন ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। সাপটি শিশুকে দংশন করলে বিষক্রিয়ার কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যেত। শিশুটি সুস্থ থাকায় তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, হতে পারে শিশুটি সাপের শ্বাসনালীতে কামড় দিয়েছিল। এ কারণেই মৃত্যু হয়েছে। সাপের নাম চিহ্নিত করা যায়নি। তবে বিষধর সাপের বাচ্চা ছিল এটা নিশ্চিত।
শিশুটির মা বলেন, আমার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের বয়স ১৬ মাস। সকালে চাচাতো ভাইয়ের সাথে ঘরের মধ্যে খেলছিল আমার মেয়ে। খেলার সময় জান্নাতুল খাটের নিচে চলে যায়। এ সময় খাটের নিচে থাকা সাপের বাচ্চাকে কামড় দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে। পরে সাপের বাচ্চাটি মারা যায়। আমি আমার মেয়ে ও তার চাচাতো ভাইসহ সাপটি নিয়ে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যাই।