নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ ও তাঁতী লীগ নেতাকর্মীদরে মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছেন। ব্যাপক ভাঙ্চুর করা হয়েছে দুটি দলীয় কার্যালয়। আদমজী ইপিজেডের ভিতরে একটি গার্মেন্ট কারখানায় নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের কাজ নিয়ে বিরোধের জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সুমিলপাড়া এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ইকবাল, ইব্রাহীম, শামীম, সেলিম মজুমদার, আলাউদ্দিন, আবুল, হৃদয় ও লিটন।
আহত ইকবালকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আর ইব্রাহীম ও শামীমকে জেলা শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।
আদমজী ইপিজেডের ঠিকাদার হিরা জানায়, চার্মিন নামে একটি নির্মাণাধীন গার্মেন্ট কারখানায় ইট, বালু সরবরাহ, রং ও টাইলস বসানোর কাজ পেয়েছি। কাজ প্রায় শেষের পথে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতী লীগের আহ্বায়ক লিটন ওরফে গুজা লিটন কাজটি জোর করে নিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে লিটন ও ডজনের অধিক মামলার আসামি সেলিম মজুমদারের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন লোক ইপিজেডের ভিতরে চার্মিন গার্মেন্টে গিয়ে আমার ম্যানেজার ইকবালকে টেনে হিঁচড়ে বেধড়ক মারধর করে। তাকে রক্ষা করতে গেলে ইব্রাহীম ও শামীমকেও মারধর করা হয়। পরে তারা সুমিলপাড়া গিয়ে যুবলীগ নেতা আক্তার হোসেনের অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙ্চুর করে। আক্তার হোসেন বলেন, হিরার সাথে আমিও ইপিজেডে কাজ করি। এ কারণে আমার অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙ্চুর করা হয়েছে। আহত ইকবালকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আর ইব্রাহীম ও শামীমকে জেলা শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতী লীগের আহ্বায়ক লিটন বলেন, চার্মিন গার্মেন্টের নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের কাজ আমি পেয়েছিলাম। হীরার সাথে মিলে আক্তার জোর করে নিয়ে নেয়। আমি প্রতিবাদ করায় বেলা ৩টার দিকে কদমলী এলাকার নামধারী যুবলীগ নেতা জীবন ও আক্তারের নেতৃত্বে দুই শতাধিক লোক নারায়ণগঞ্জ মহানগর তাঁতী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাঙ্চুর করে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শওকত জামিল জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। তবে পুলিশ আসার আগেই তারা চলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে দুই অফিস এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো: মশিউর রহমান জানান, চার্মিং ফ্যাক্টরির নির্মাণ কাজ শেষের দিকে। এখন কে এই ফ্যাক্টরির ব্যবসা দখল করবে এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ-তাঁতীলীগ সংঘর্ষে ৮ জন আহত
দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, পুলিশ মোতায়েন
নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ ও তাঁতী লীগ নেতাকর্মীদরে মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছেন। ব্যাপক ভাঙ্চুর করা হয়েছে দুটি দলীয় কার্যালয়। আদমজী ইপিজেডের...



