পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সশস্ত্র বাধা উপেক্ষা করে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ব্যাপক বিক্ষোভ, লাঠি মিছিল এবং সমাবেশ করেছে বিএনপি। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার সরারচর এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করে দলটি। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় তাদের প্রত্যেকের হাতে ছিল লাঠি।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ বিক্ষোভ হলেও এটি ছিল বাজিতপুর উপজেলায় বহুদিন পর তাদের সাংগঠনিক শক্তির মহড়াও।
বেলা ২টায় আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকে নেতাকর্মীরা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সরারচর নতুন বাজার এলাকায় শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের বাড়ি ‘রহমান ম্যানশন’ এর সামনে জড়ো হতে থাকেন। আসার পথে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণের চেষ্টা চালায়। মানুষ যাতে সমাবেশে আসতে না পারে তার জন্য পুলিশ উপজেলার রাস্তাঘাটে সব ধরনের যানবাহন বন্ধ করে দেয়। এসব উপেক্ষা করে এক সময় রহমান ম্যানশনের সামনের সড়ক লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। বেলা ২টায় সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম। সমাবেশ শেষে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের নির্দেশনা পেয়ে সেখান থেকেই শুরু হয় লাঠি মিছিল। এ সময় শতাধিক পুলিশ তাদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। পরে বিএনপি নেতাকর্মীদের আধিক্য দেখে পুলিশ পিছু হটে।
সরারচরের নতুন বাজারে বিক্ষোভ মিছিলের পূর্বনির্ধারিত স্থান থাকলেও এক সময় তা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকাতেও।
মিছিলে যোগ দেয়া নেতাকর্মীরা দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবি ও বিএনপি নেতা কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদ করে বিভিন্ন সেøাগান তুলেন।
সমাবেশে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, হামলা মামলা ও হত্যা করে বিএনপির আন্দোলন ঠেকানো যাবে না। এ সরকারের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ জেগে ওঠছে। বাজিতপুরে আমরা মাঠে নেমেছি। সারা দেশে বিএনপি নেতা যারা আছেন আপনারাও মাঠে নামুন। এ সরকারের পতন হবে ইনশা আল্লাহ।
কিশোরগঞ্জে বাধা উপেক্ষা করে শক্তি দেখাল বিএনপি
পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সশস্ত্র বাধা উপেক্ষা করে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ব্যাপক বিক্ষোভ, লাঠি মিছিল এবং সমাবেশ করেছে বিএনপি। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার সরারচর এলাকায়...



