ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের আইয়ুবপুর ইউনিয়নের চরছয়ানী গ্রামে গত সোমবার রাতে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জানাজানি হয়েছে। নিহতরা হলেন- সৌদি আরব প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী জেসি আক্তার (৩৫), তার বড় ছেলে মাহিন (১৪) ও ছোট ছেলে মহিন (৭)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই বাড়ির মালিক চরছয়ানী গ্রামের সুলতান হাজীর ছেলে শাহ আলম, তিনি সৌদি আরবে রয়েছেন। বাড়িতে তার স্ত্রী ও দুই ছেলে বসবাস করতেন। সকালে গৃহপরিচারিকা এসে দেখেন বাড়ির গেট লাগানো। অনেক ডাকাডাকি করলেও কেউ গেট খুলছিলেন না। পরে আশপাশের লোকজন এসে গেট খুলে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় ঘরের মেঝেতে ও বাথরুমে শাহ আলমের স্ত্রী ও দুই সন্তানের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আইয়ুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলাম বলেন, এটি একটি জঘন্য এবং হৃদয়বিদারক ঘটনা। অবুঝ দু’টি শিশুকে এবং একজন নারীকে নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। বাঞ্ছারামপুরের মাটিতে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য দ্রুত উন্মোচনসহ খুনিদের আইনের আওতায় দেখতে চাই এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরে আলম বলেন, নিহতদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করেছেন। ঘটনাস্থলে এসেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) সিরাজুল ইসলাম এবং এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ধার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।



