শেরপুর নালিতাবাড়ী গারো পাহাড় সীমান্তে এক দল বুনো হাতি স্থানীয় কৃষকের আধাপাকা ধান খেয়ে সাবাড় করেছে। সর্বস্ব শেষ করে আমন আবাদ করেছিলেন কৃষক রমজান আলী। আর ক’দিন পরেই ঘরে তুলতেন সেই ফসল। কিন্তু কৃষকের সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।
গত দুই দিনে একদল বুনো হাতি রাতে তার ক্ষেতের প্রায় সমস্ত ফসল খেয়ে একেবারে শেষ করে দিয়েছে।
জানা গেছে, শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কালাপানি পাহাড়ি অঞ্চলে দুই পাহাড়ের মাঝখানে কৃষক রমজান আলী দেড় একর জমিতে আবাদ করেন এই ধান। অনেক কষ্টে ঋণ করে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে তিনি এ ফসল আবাদ করেছিলেন। আর মাত্র কয়েক দিন পরেই যে ধান উঠতো কৃষকের গোলায় তা গেছে হাতির পেটে। হাতিল দল পা দিয়ে মাড়িয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয় সব ফসল।
সকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষাণ-কৃষাণী ক্ষেতের পার্শে এসে হতাশায় ভেঙে পড়েন। স্থানীয় পাহাড়বাসী হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে দাবি জানায় সরকারের কাছে।
প্রতি বছর এই ধান কাটার ঠিক আগ মুহূর্তে বুনো হাতির দল তাদের ফসলি জমি বিনষ্ট করে যাচ্ছে। হাতির আক্রমণ থেকে কোনোভাবেই রক্ষা পাচ্ছে না পাহাড়বাসী।
তাই এখন নির্ঘুম রাত কাটায় তারা। সেইসাথে সরকারে কাছে স্থায়ী সমাধান চায় এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে মধুটিলা রেঞ্জের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, বুনো হাতি শুধু কৃষকের জমিই নয়, আমাদের ইকোপার্কের ভেতরেও প্রবেশ করেছিল। আমরা তাড়িয়ে দিলে রাতে কালাপানি গ্রামের ওই জমিতে যায়। সরকার থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবেদন করলে তাকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।



