পিরোজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের বাড়িভাড়া বাবদ আয় গত পাঁচ বছরে ১৩০ গুণ বেড়েছে। পাঁচ বছর আগে এমপি হওয়ার সময় তার বাড়িভাড়া বাবদ আয় দেখানো হয়েছিল ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। বর্তমানে সেই আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সাথে দেয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৮ সালে শ ম রেজাউল করিমের বাড়িভাড়া, ব্যবসা, সঞ্চয়পত্র বা আমানতের সুদসহ বিভিন্ন খাতে মোট আয় ছিল ৭৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা। ২০২৩ সালে এই আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৫৭ লাখ ১৫ হাজার ১৫৭ টাকা। গত নির্বাচনে তার বিভিন্ন ভাড়া বাবদ আয় দেখানো হয়েছিল ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। পাঁচ বছর পর সে আয় ১৩০ গুণ বেড়ে দাঁড়ায় ২১ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা। তবে পাঁচ বছর আগে তার পেশাগত আয় ৬০ লাখ ২৪ হাজার ১০৩ টাকা থাকলেও পাঁচ বছর পরে এসে এ নির্বাচনে তার আয়ের সে ঘর ফাঁকা দেখানো হয়েছে। একাদশ নির্বাচনের হলফনামায় তার স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি দেখানো হয়েছিল ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৯ টাকা। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাঁচ বছর পর ২০২৩ সালে তার স্থাবর/অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় সাত কোটি ১৫ হাজার ৪৭২ টাকায়। ২০১৮ সালে শ ম রেজাউল করিমের ওপর নির্ভরশীলদের আয় ছিল ১০ লাখ ২০ হাজার ৬১০ টাকা, যা ২০২৩ সালে কমে হয়েছে আট লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ টাকায়। তবে ২০১৮ সালে শ ম রেজাউল করিমের স্ত্রীর নামে স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪৩ লাখ ২৮ হাজার ৩২৬ টাকা, যা গত পাঁচ বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ১৫ লাখ ১২ হাজার ৭৮৫ টাকায়। এ ছাড়া হলফনামার বিবরণী অনুযায়ী জানা যায়, তাদের স্বামী/স্ত্রীর উভয়ের কাছে কিছু স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর অলঙ্কার আছে, তবে কী পরিমাণ আছে এবং তার মূল্য কত হবে তা তাদের জানা নাই।
মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের আয় বেড়েছে ১৩০ গুণ
পিরোজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের বাড়িভাড়া বাবদ আয় গত পাঁচ বছরে ১৩০ গুণ বেড়েছে। পাঁচ...



