ঢাকার দোহার উপজেলায় খুচরা সার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দাম দিয়ে সার কিনছেন কৃষকেরা। এতে একদিকে নায্যমূল্যে সার কেনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক, অন্য দিকে বাড়তি দামে সার কেনায় ফসলের উৎপাদন খরচও বাড়ছে। এভাবে বাড়তি দাম নিলেও এর কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না কৃষক।
জানা গেছে, এ বছর সরকার খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া ২২ টাকা, টিএসপি ১৮ টাকা, এমওপি ১৬ টাকা ও ডিএবি সার বিক্রি ১৬ টাকা নির্ধারণ করলেও এ দামে কোনো কৃষক সার কিনতে পারছেন না। প্রতি কেজি সার ৫ থেকে ৮ টাকা বেশি দাম ধরে কিনতে হচ্ছে।
উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের সারের খুচরা বিক্রেতারা অভিযোগ করে বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে সার কেনায় আমাদেরকে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। জয়পাড়া বাজারের খুচরা সার ব্যবসায়ী মিজান টেড্রাসের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মিজান বলেন, আমাদের যে দরে সার বিক্রি করার কথা সেই দরে কিনতেও পারি না। এমনকি আমাদের যে চাহিদা থাকে তার অর্ধেক সারও আমরা পাই না। ফলে কৃষকদের আমরা সময়মতো সার দিতে পারছি না।
উপজেলার নিকড়ার খুচরা সার ব্যবসায়ী ইমদাদুল হক জানান, সরকার সারের ভর্তুকি দেয়া সত্ত্বেও কৃষকদের তারা নায্যমূল্যে সার দিতে পারছেন না। এ জন্য তিনি সারের ডিলারদের দায়ী করেন। এ ব্যাপারে ডিলারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে ডিপো থেকে সার আনতে খরচ বেশি পড়ে যায়। এ জন্য ভাড়া সমন্বয় করে তারা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সার বিক্রি করছেন।
এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোবাশ্বের আলম জানান, খুচরা পর্যায়ে সার বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
দোহারে বাড়তি দামে সার কিনছেন কৃষক
ঢাকার দোহার উপজেলায় খুচরা সার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দাম দিয়ে সার কিনছেন কৃষকেরা। এতে একদিকে নায্যমূল্যে সার কেনা থেকে বঞ্চিত...

