উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত প্রায় চার হাজার হোস্ট কমিউনিটির শিক্ষক-শিক্ষিকা চার দফা দাবিতে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরআরসি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন। গত রোববার সকাল থেকে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এতে অনেকেই তপ্ত গরমে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত শিক্ষকদের চার দফা দাবি হলো- শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করে ন্যূনতম ২২ হাজার ৫০০ টাকা করা, বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রদান, উৎসবভাতা প্রদান ও ক্লাস্টার সিস্টেম বাতিল এবং অযথা শিক্ষক ছাঁটাই বন্ধ করা।
আন্দোলনরত হোস্ট টিচারদের পক্ষে আছহাব চৌধুরী বলেন, চার দফা দাবি যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হওয়ায় আমরা গত ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতিতে আছি এবং ক্যাম্পে মুভমেন্ট করছি না। সেই সাথে আমরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রকল্প অফিসে গিয়ে তাদের প্রকল্প অফিসের কাজ চলমান না রাখার আবেদন করেছি। এতে তারা আমাদের কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছেন ও লিখিতভাবে সম্মতি দিয়েছেন যে, তারা আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অফিসের কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন। আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষকরা রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করে সর্বোচ্চটুকু দিয়ে যাচ্ছেন। দাতা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা দিন শেষে শিক্ষকদের কাজের ভিত্তিতে রিপোর্ট পেশ করে বাহবা কুড়াচ্ছেন এবং মাসে মাসে তাদের বেতনভাতা বৃদ্ধি করেই চলেছেন।
ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন অফিস ঘেরাও রোহিঙ্গা কমিউনিটি শিক্ষকদের
উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত প্রায় চার হাজার হোস্ট কমিউনিটির শিক্ষক-শিক্ষিকা চার দফা দাবিতে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরআরসি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন। গত রোববার সকাল...



